UniBijoy / Unijoy Layout for Avro Keyboard

অভ্রে গুণগ্রাহীর সংখ্যা কম নয় বাংলাদেশে, আমি নিজেও অভ্র ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু সমস্যা হলো, আমি যখন অভ্র ছিল না, তখন আমরা অনেক বছর ধরে বিজয় ব্যবহার করে আসছি। সুতরাং আমাদের বিজয় কিবোর্ড লেআউট মোটামুটি ফিঙ্গার মেমোরিতে চলে এসেছে। অভ্রতে ফনেটকি ব্যবহারের সাধ অনেকেরই ভাল লেগেছে বিশেষ করে যারা নতুন বাংলা টাইপ করা শিখছে, কিন্তু আমি জানি বিস্তর লোক আছে যাদের অভ্রের ফনেটিক টা ঠিক পছন্দ হয়ে উঠেনি। তার মধ্যে আমিও একজন। আমি এখনও বিজয় লেআউটটা পছন্দ করি। ফনেটিক এ লিখতে এক ধরণের অসস্থি হয়। মজার ব্যপার হলো, ছোটবেলায় আমার ইংরেজি টাইপিং এর চেয়ে বাংলা স্পিড ই বেশি ছিল। যাহোক, যেহেতু অভ্রের মূল সফটওয়্যার থেকে ইউনিজয় লেআউটটি বাদ দেওয়া হয়েছে, সুতরাং এটি একটা সমস্যার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছিল আমার কাছে, কোথায় পাই সেই ইউনিজয়। অবশেষে অনেক খুঁজে ইউনিজয় লেআউটটি পেলাম।
এখানে তাই শেয়ার করছি।

layout: download link

খুব সহজ, অভ্র ইন্সটল করা থাকলে, এই লেআউটটি ডাউনলোড করে ডাবল ক্লিক করলেই ইন্সটল হয়ে যাবে, তারপর এপ্লিক্যাশান রিস্টার করলেই পাওয়া যাবে ইউনিজয় লেআউটটি।

যারা প্রোগ্রামিং শিখতে চায়

শুরুতে বলে রাখি, পৃথিবীতে সৃজনশীল কাজের অভাব নেই। যারা মনে করে জীবন মানেই শিল্প, তারা নিজের মনের মাধুরী মিশিয়ে কাজ করতে পছন্দ করে, সেই কাজগুলো হয় সম্পূর্ণ নিজের ভালা লাগার জন্য, সখের জন্য। সখ ব্যপারটি অনেক সময় সাদা হাতির মত হলেও আসলে কিছু কিছু বিশেষ সখ আছে, যা শুধুমাত্র সাদা হাতির মত মূল্যবান না, সাথে আরও অনেক কিছু। প্রোগ্রামিং এমন একটি সৃজনশীল কাজ। তোমার জন্য এটি হতে পারে সম্পূর্ণ নূতন ভুবন, তুমি যতোই এর ভেতরে প্রবেশ করবে, ততই তোমার কাছে নতুন মনে হবে,তুমি হারিয়ে যাবে, আর হারিয়ে গিয়ে তুমি দিশেহারা হবে না, বরং আরও বেশি আনন্দ পাবে, তুমি আরও বেশি বেশি করে হারিয়ে যেতে চাইবে। কম্পিউটার মূলত একটা যন্ত্র হলেও এটি খুব বেশি যন্ত্রের মতো না, এটি বরং মানুষের খুব বেশি কাছাকাছি। আমরা এই যন্ত্রটিকে এখন অনুভব করতে পারি, তাকে দিয়ে অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করে ফেলতে পারি। আমাদের মনের যত ধরণের কল্পনা থাকে, এই যন্ত্রটিকে দিয়ে তা বাস্তবে রূপান্তরিত করতে পারি।

এখন বলি প্রোগ্রামিং কি? মানুষের নিজস্ব একটি ভাষা থাকে, সেই ভাষায় আমরা কথা বলি, আমরা এই ভাষার নানা রকম কাজ করে থাকি, ধরো তুমি কাওকে দিয়ে কোন কাজ করিয়ে নিতে চাও, তাহলে তাকে তোমার কাজটি কেন বুঝিয়ে দিতে হবে, কিভাবে করবে, তাও বলে দিতে হবে। ঠিক এই ব্যাপারটি কম্পিউটারের ক্ষেত্রেও সত্য। তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে, সেই কাজটি সে কিভাবে করবে। কম্পিউটার আসলে যে কাজটি করে, আমরা যা তাকে করতে বলি, সেটি খুব দ্রুত করে ফেলে। সে নিজে থেকে কিছু করতে পারে না, তাকে দিয়ে করিয়ে নিতে হয়। এখন তাকে দিয়ে করিয়ে নিতে হলে, তাকে কিছু নির্দেশনা দিতে হয়। এই নির্দেশনা দেওয়ার কিছু নিয়ম কানুন আছে, যাতে করে কম্পিউটার তোমার কথাটি বুঝতে পারে। এই নিয়ম কানুনের সমষ্টিই হলো মূলত প্রোগ্রামিং।

কম্পিউটারের এই সৃজনশীল ভুবনে যারা আসতে চাও, তাদের বলে রাখি, এইটা আসলে সেইরকম মজার জিনিস। এই ভুবনে মজা পেতে হলে তোমাকে যা যা থাকতে হবে, তা হলো, প্রচুর ইচ্ছে শক্তি, ধৈর্য্য এবং ধৈর্য্য।

উদরগত মেদ অপসারণ করার কিছু উপায়।

আমি মোটামুটি নিশ্চিত যে সবাই তাদের উদরগত মেদ কমাতে আগ্রহী। আমি নিজেও অনেক বেশি আগ্রহী। কিন্তু মেদ তৈরি করা যত সহজ কাজ, তা অপসারণ করা মোটেই সহজসাধ্য  কাজ নয়। যাহোক, মেদ কমানো অনেক কারণে জরুরি। সবচেয়ে বড়ো কারণটি হলো, মেদ ভুঁড়ির কারণে পুরো শারিরীক গঠন অসুন্দর হয়ে উঠে। এছাড়াও এটি নানা রোগের কারণ হয়ে দাড়ায়। আমার নিজের মেদ দিনকে দিন এতোই বেশি রকম করে বেড়ে উঠছে যে, চিন্তায় চিন্তায় আমার ঘুমের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। দিন রাত খাচ্ছি আর ঘুমাচ্ছি। একটু কাজ করলেই হাপিয়ে উঠছি। আর যারা আমার মতো ২৪ ঘণ্টা বাসায় থাকো, এবং শারিরীক পরিশ্রমের কাজ থেকে নিজেকে যতদূর সম্ভব দূরে রাখো, তাদের জন্য জিনিসটা ভয়ংকর। কারণ তাদের মেদ বাড়তে শুরু করলে ওটা বাড়তেই থাকে। আমি খুবই চিন্তিত যে কোনদিন আমার আকৃতি ফুটবল হয়ে যায়। মোটা মানুষ খুব বেশি খারাপ নয় দেখতে, এমনকি আমি নিজেও একসময় মোটা হতে চেয়েছি, কিন্তু সমস্যা একটাই, সেটা হলো মেদ ভুঁড়ি। তুমি মোটা হও কোন সমস্যা নেই, যদি তোমার একটা মোটা পেট না থাকে, তাহলে তুমি যথেষ্ট্য সুন্দর দেখতে হবে। তো আমি কিভাবে মেদ ভুঁড়ি কমানো যায় তার উপর বেশ কিছু পড়াশোনা করে ফেললাম ইতিমধ্যে। তোমাদের সাথে শেয়ার করছি যাতে, যারা আমার মতো ভুঁড়িওয়ালা তারা আমার সাথে অংশগ্রহণ করতে পারো, ভুঁড়ি কমানোর প্রতিযোগিতায়। যার ভুঁড়ি যত তাড়াতাড়ি কমবে তার পয়েন্ট বেশি। আমি আশা করছি, আমার পয়েন্ট সবচেয়ে কম হবে।

১. যতটুকু খাও তার চেয়ে বেশি ক্যালোরি বার্ণ করো: আমি জানি তুমি যা খেতে পছন্দ করো তা তোমার পক্ষে না খেয়ে থাকা কষ্টকর। আমি তা পারি না। এক্ষেত্রে সহজ উপায় হলো, তুমি যা খাও সাধারণত, তাই খাবে, কিন্তু ইনটেক একটু কমাতে হবে আর যা খাও তার পুরোটাই খরচ করে ফেলতে হবে। তুমি যদি প্রতিদিন ১০০ ক্যালোরি বেশি খাবার খাও তাহলে তা তোমার ৫ কেশি ওজন বাড়িয়ে দেবে। কাজটি খুব বেশি কঠিন নয়, ব্যাপারটি এমন নয় যে তোমাকে না খেয়ে থাকতে হবে। তুমি খাও, কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যে, সেটি যেন কম ক্যালরি যুক্ত হয়। ক্যালরি হিশেব করার জন্য অনলাইনে প্রচুর হেল্প পাবে। তোমাকে শুধু ট্র্যাক রাখতে হবে যা খাচ্ছো, তা তোমার শরীরের চাহিদার চেয়ে কম। এই কাজটি করবে যখন তুমি মেদ কমাতে চাচ্ছ। যখন তোমার মেদ কমে ঠিক ঠাক হয়ে যাবে তখন শুধু অতিরিক্ত কিছু খাবে না, সেটি খেয়ার রাখলেই হবে।

২. নিয়মিত ব্যায়াম: এইটির কোন বিকল্প নেই। তোমাকে একটু ব্যায়াম করতেই হবে তোমার শারিরটাকে ঠিক ঠাক রাখতে হলে। তুমি যেহেতু কম খাচ্ছ, এবং একটু ব্যায়াম করলে মেদ গুলোকে বার্ণ করতে এটি সাহায্য করবে, এতে করে তুমি আরো তাড়াতাড়ি মেদ কমাতে পারবে। আমার পরামর্শ হলো, তুমি একটু হাটো প্রতিদিন। লিফট না উঠে তুমি সিড়ি ব্যাবহার করতে পারো। রিক্সা পরিহার করতে পারো। এতে করে তোমার বেশ কিছু টাকা যমে যাবে যাতে করে মাস শেষে তুমি একটা গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে পারবে, এবং একদম নতুন যে গেইমটি এসেছে সেটি তোমার কম্পিউটারে খেলতে পারবে। আর যদি গেইম খেলতে না চাও, মাস শেষে টাকাগুলো আমাকে দিয়ে দিতে পারো। আমাদের একটা ফেইসবুক গ্রুপ আছে, নাম FootPrints যার কাজ হলো স্ট্রিট চাইল্ডদের সাহায্য করা। আমি তোমার টাকা গুলো সেখানে খরচ করতে পারি।

৩. খাবার তালিকা নির্ধারণ: তুমি যেহেতু  কম খাচ্ছো এবং নিয়মিত ব্যায়াম করছো, সুতরাং তোমার মেদ বার্ণ হচ্ছে, এখন সেটি যদি আরো ইফিসিয়েন্ট করতে চাও তাহলে তুমি তোমার খাবার তালিকা নির্ধারণ করতে পারো। খাবারের মধ্যে ভ্যারিয়েশান আনতে পারো। কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো অপ্রয়োজনীয় ক্যালোরি যোগ করে। তুমি সেগুলো পরিহার করতে পারো। ড্রিংকস পরিহার করা খুব ভাল আইডিয়া। আইসক্রিম আমার খুবই পছন্দ। সপ্তাহে যদি প্রতিদিন আইসক্রিম খাও, তাহলে সেটি কমিয়ে আন। মাখন, পনির, তেল ও ঘি সমৃদ্ধ খাবার একেবারেই কমিয়ে দেয়া উচিত।

আপাতত এইটুকুই। আশাকরি তুমি ইতিমধ্যে মেদ ভুঁড়ি কমিয়ে ফেলার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ফেলেছো। অল দ্যা বেস্ট।