স্বর্গের পথে কিছুক্ষণ…

শুক্রবার, আজ সকালটা ছিল সাধারণ অন্য সব সকালের মতোই। সকালের শুরুর দিকে আমার ঘুমানোর কথা ছিল, কিন্তু কেন জানি ঘুম এলো না। বসে বসে লেপটপ নিয়ে কাজ করতেছিলাম। রাতে ঘুমাইনি। সুতরাং একটু পরই আমি ঘুম সাগরে ঝাপিয়ে পরবো। কিন্তু শাওনের ফোন পেলাম এগারটার দিকে। লিণ্ডা আসবে। আমি বললাম, ইশ আমার তোদের সাথে থাকতে পারলে খুব ভাল লাগতো, কিন্তু আমি তো এখন ঘুমাবো। হুম। কি আর করা !আমি আমার কাজ করতেছি। আসলে তেমন কিছু করতেছি না। আমার ধারণা এই মাসে আমাকে মেসের মিল প্রিফেক্ট হতে হবে। বসে বসে হিসাব করার জন্য এক্সেল এ টেবিল তৈরি করলাম। যাতে ক্যালকুলেশান টা ডাইনামিক হয়। তারপর হঠাৎ মনে হলো, এইটা অনলাইন এ করলে কেমন হয়, শুধুমাত্র যাদের একসেস দেবো তারাই দেখতে পারবে। তাহলে কেও আমাকে আর জ্বালাবে না। যখন খুশি তারা তাদের স্ট্যাটাস দেখতে পারবে। হুম তাই করছিলাম। তখনি আবার শাওন ফোন দিল। লিণ্ডা টিএসসি তে আসছে এবং আমাকেও আসতে হবে। তো আর কি করা আসতে যখন হবেই, আসবো। বললাম আসতেছি। তো আমি আমার মতো কাজ করতেছি। ওরা টিএসসি এসে ফোন দিলে তারপর রওনা হবো। আমি আজিমপুর এ থাকি, সুতরাং খুব অল্প সময়ই লাগবে। একটার দিকে শাওন ফোন দিল, তাড়াতাড়ি আয়, আমরা চলে এসেছি, আর ফয়সাল ভাইয়াও আসবে। ফয়সাল ভাইয়া খুব ইন্টারেস্টিং একটা ক্যারেক্টার, শাওনের কাছে শুনেছি। সুতরাং তাকে দেখার খায়েস অনেকদিন থেকেই ছিল।

যাহোক, তারপর বাসা থেকে বের হয়ে টিএসতি এসে দেখি শাওন আর লিণ্ডা বসে আছে। ওদের সাথে জয়েন করলাম। বসে থাকলাম কিছুক্ষণ। এর মধ্যে আমরা এটা সেটা কিনছি আর খাচ্ছি, গল্প করছি, আরও অনেক কিছু। কিন্তু এইভাবে বসে থাকতে আমার ভাল লাগে না। শাওনকে বললাম চল, টিএসসি এর ভেতরটাই গিয়ে বসি। গেলাম। তার আগে অবশ্য আমরা মজা করে আমরা অনেককিছু খেলাম। আমি ভেবেছিলাম, টিসএসসি এর ভেতর সুইমিংপুল এর ওইখানটাই বসবো। কিন্তু ঐটা আজ বন্ধ। কি আর করা, টিএসসির ফ্লোরেই বসে থাকলাম কিছুক্ষণ। আর শাওনকে বলি, ফয়সাল ভাই কই, তার টিকিটিও তো নাই। শাওন বলে, অস্তির হচ্ছিস কেন, আসবে। লিণ্ডা আজ হঠাৎ করে বাসা থেকে বের হয়ে ঢাকা চলে এসেছে। ও থাকে নরসিংদিতে। এই হঠাৎ করে কিছু করাটা অনেক ইন্টারেস্টিং। আমিও মাঝে মাঝে যা কখনোই করিনা, তা হঠাৎ করে করে ফেলি।

লিণ্ডাকে বললাম, এই হঠাৎ করে ঢাকা চলে আসাটা সপ্তাহে একদিন করা যায়না, অত্যন্ত শুক্রবারে। হা হা। আমি জানি তা সম্ভব নয়, তবুও মজা করে বললাম। ওকে আমার হঠাৎ করে রাজশাহী চলে যাওয়ার ঘটনাটা বললাম। শাওন বলে, এইটা একদম একসেস। এইভাবে কেও যায়। লিণ্ডা হঠাৎ করে বললো, রোকন, আমি তোমার লুচি পায়েস খাবো। ওর মনে আছে! একদিন বলেছিলাম, ফেইসবুকে। আজিজ সুপার মার্কেটে একটা খাবারের দোকান আছে, নাম অন্তরে রেস্তোরা। মুন্না প্রথম আমাকে এইখানে নিয়ে এসেছিল। এরপর এই দোকানটাই আমি বেশ কয়েকবার আমার বন্ধুদের নিয়ে গিয়েছি। শাওনকেও নিয়ে গিয়েছিলাম একবার। এখানকার লুচি এবং গুরের পায়েসটা খুবই অসাধারণ। লিন অবশ্য বলছিল, ওর আম্মুর হাতের লুচি-পায়েস খেলে নাকি কখনো ভুলবো না। খাওয়ার ইচ্ছেটা মনের মধ্যে রেখে দিলাম। আমি জানি আমার কখনো নরসিংদিতে যাওয়া হবে না। আমি যাবোও না কখনো। আমার এক বন্ধুর বাড়ি সেখানটায়। ওর গল্প অন্যদিন বলবো। হঠাৎ করে বললাম, শাওন জানিস, ওই আমাকে ভুলে গেছে, ওর কোন কন্টাক্ট নাম্বারটাও আমার কাছে নাই। শাওন বলে ঠিক করছে, তোর সাথে এরকমি করা উচিৎ। আমিও বলি ঠিকই আছে। মানুষের প্রতি কারো অনেক এক্সপেক্টটেশান থাকলে, এবং তা যদি কখনোই পুরণ না হয়, আস্তে আস্তে তার প্রতি আগ্রহ কমে আসে, তার প্রতি ভাল লাগা গুলো মরে গিয়ে অন্য মানে হয়। নিজে থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়া অনেকটা। হয়তো প্রচুর খারাপ লাগা থেকেই ও দূরে সরে যাওয়া। আমি ওর খুব ভাল বন্ধু হতে গিয়েও হয়তো হয়ে উঠতে পারিনি। হয়তো সময়ের প্রয়োজন, আরও অনেক কিছু। থাক সেইসব কথা।

শাওন বললো, ক্র্যাকটা আসছে মনে হয়। ওর ফোন বেজে উঠল। আমি লিনকে বলি চলো পালাই। শাওন ক্র্যাকটার সাথে কথা বলবে,আমরা একটু পর এসে পাশে দাড়িয়ে থাকবো, উনি তো আমাদের দু-জনের কাওকে চিনেন না। সুতরাং একটু মজা করি। । শাওন ফোন নিয়ে হাটতে হাটতে টিএসসি এর গেট পর্যন্ত গেল, আর এইদিকে আমরা পালানোর পথ খুজতেছিলাম। ও আচ্ছা, লিন, টিসএসিতে ওয়াশরুম কোথায় খুজতেছিল, আমি এইখানটাই খুব বেশি আসি নাই, তাই বলতে পারতেছিলাম না, হঠাৎ করে পেয়ে গেলাম। কিন্তু কনফিউসড, কোনটা জেন্টস আর কোনটা লেডিস। কখনো লেখা ছিল, কিন্তু এখন নেই, কেউ মুছে দিয়েছে। যাহোক, এক ভাইয়া দেখিয়ে দিল। আমি বারান্দায় বাদাম খেতে খেতে হাটতে লাগলাম। আর দেখছিলাম শাওনকে। ও কথা বলে যাচ্ছে তো যাচ্ছেই। একবার ওর কাছে গিয়ে ফিস ফিস করে বললাম, ক্র্যাকটা আসবে কিনা, ও বলল, আসবে আসবে। আমি আবার ফিরে এলাম ওয়াশরুমের কাছে। পাবলিক টয়লেট গুলোতে একটা ফালতু রকম ন্যাপথেলিন এর উৎকট গন্ধ থাকে। এইটা আমার একদম সহ্য হয় না। বের হয়ে এলাম, এখনো লিন বের হয়নি। আমি আবার পায়চারি করতে থাকি। অনেকক্ষণ পর যখন লিন বের হলো, আমি বললাম, এখনো আসে নাই, শাওনকে দেখো এখনো কথা বলেই যাচ্ছে। আমরা অবশ্য লুকানোর প্লান করছিলাম তখনো, কিন্তু টিসএসিতে পালনোর যায়গা কোথায়। লিনকে বললাম, চলো অডিটরিয়ামে ঢুকে পরি। অডিটরিয়ামে ফিল্ম ফেসটিভাল চলছিল। তখন দাবাঙ নামের অতি ফালতু মুভিটা চলছিল। লিন বলে, টিকিট কই, টিকিট ছাড়া তো ঢুকতে দেবে না। হুম, টিকিট তো নেই। সুতরাং এইটা বাদ। আচ্ছা দুতলায় উঠা যায়। শাওন বলে, এই ফয়সাল ভাই আসছে, চল। আমি বলি, তুই আগে যা, আমরা পরে আসি। ও যখন বাইরে গেল আমি লিনকে বলি, চলো দুতলায় যায়, আমি অবশ্য কখনো যায়নাই কি আছে দুতলায়। সিড়িতে উঠতেই একটা রুমে বেশ কিছু লোকজন ফ্লোরে বসে একটা অদ্ভুদ শব্দ জোরে জোরে বলছে। আমি বুঝলাম না ব্যপারটা কি। লিন বলে, এখানে সম্ভবত কবিতা আবৃতি শেখানো হয়। আমরা সিড়িটাতে বসলাম। কিছুক্ষণ পর শাওনের কল, আমি ধরলাম, ওই তোরা কই, ফয়সাল ভাইয়া তো আসছে। আমি গেইট এ। লিনকে বললাম, চলো আসছেন উনি। তারপর উনারা এলো, আমি আর লিন হাটছি, শাওন আর ফয়সাল ভাই পেছনে পেছনে। আমরা যেন উনাদের চিনি না। ওরা গল্প করছে, আমি আর লিনও গল্প করছি। লিন, এখনো আমাদের ঘুরতে হবে, আর সামনে চোখাচুখি হবে, এখন! সামনে তখন আর হাটার যায়গা নেই। লিন বলে, ইশ তাইতো। যাহোক কিছুক্ষণ পর আমরা সবাই বের হলাম। লিনকে বললাম, চলো এবার কথা বলি, অনেকক্ষণ তো হলো। হুম চলো। উনি টিএসসি এর চা স্টল থেকে সিগারেট এবং চা নিল। এইটা তার ব্র্যাকফাস্ট। সাধে কি আর ক্র্যাক বলি। উনার প্রথম কথা, আমার খুব খুধা লাগছে, চলো খাবো। কিন্তু লিন উনার গাড়িতে উঠবে না। লিন বলে এইখানে কোথাও বসি, উনি বলে কোথায়, এই মাটিতে বসবো? চলো মাটিতেই বসি। আমার গাড়িতে কিছু নেই, বোমা নেই, এই যে পুলিশ আছে চেক করতে বলো, এই বলে উনি অনেক মজার মজার গল্প বললেন। উনি ছোট সময় অনেক দুষ্ট ছিলেন। অনেক মজার সব ঘটনা। সত্যি কথা বলতে দুষ্টের শিরোমনী যাকে বলে, উনি তাই ছিলেন। সব করছেন। গাছের ডাব চুরি, অন্যের বাড়ির মুরগি চুরি থেকে ভিক্ষা করার মতো কিছু মজার ঘটনা উনি বললেন। মন্দির থেকে খাবার চুরি করে খাওয়া আরও নানা রকম মজার ঘটনা। একবার নাকি উনি একটা যায়গা থেকে রিকসায় উঠছেন, সেই যায়গায় আর কোন রিক্সা নেই। তো এক ভদ্রমহিলা (সম্ভবত মেয়ে) উনার কাছে লিফ্ট চাইছে। আর রিকসা নেই। তো উনি রাজি হয়েছেন। জিজ্ঞাসা করেন আপনি কোথায় যাবেন, মেয়েটি বলে এইতো সামনেই। ভাইয়া মজা করে, এইতো সামনে বলতে, আপনি যদি বেশি রাস্তা যান, তাইলে ভাড়া আপনি দিবেন,আর আমি যদি বেশি যায়, তাইলে ভাড়া আমি দেবো। মেয়েটি বলে সে কোন সমস্যা না। কিছু দূরে গিয়েই মেয়েটা তার কাছে টাকা চায়। ভাইয়া বুঝতে পারে, বলে ঠিক আছে, আমার টাকা আমি দেবো। কিন্তু আপনি এইভাবে বলছেন কেন, মনে হচ্ছে আপনি আমার চৌদ্দ গুষ্ঠির কাছে আপনি টাকা পান। মেয়েটি বলে, আমি কিন্তু চিৎকার করবো। ভাইয়া তাকে বুঝাতে চেষ্টা করে, এইখানে যদি আপনি চিৎকার করেন, তাইলে কার সমস্যা বেশি, আপনি মেয়ে মানুষ, চুরে শুনে না ধর্মের কাহিনী। ভাইয়া চিন্তা করতে থাকে, এখন যদি আমি দৌড় দেই, তাইলে পাবলিক এর মাইর একটাও মাটিতে পরবে না। চিন্তা করতে থাকে, এই সময একটা জেম, আর সেই সুযোগে ভু-দৌড়। এই সব আরো নানা মজার গল্প বলে। ছোট সময় একবার স্কুল থেকে পিকনিকএ গিয়েছিলেন। তো পিকনিক থেকে একটা ভদ্রমহিলা তাকে নিয়ে উধাও হয়ে গিয়েছিল। কিডন্যাপিং টাইপ কিছু। তার মজার গল্প। অবশেষে লিন রাজি হয়, গাড়িতে উঠতে। আমরা গাড়ি উঠি প্রায় তিনটার সময়। কোথায় যাবো! লিন মজা করে বলে, তোমার বাসায় যাবো, ক্র্যাক তাতেই রাজি। উনি টিএসসি দিয়ে গাড়ি চালাতে চালাতে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সামনে দিয়ে আবার কিছুক্ষণ পর টিএসসিতেই ফিরে আসি, আমি বলি ভাইয়া, আমরা তো এইখানেই ছিলাম কিছুক্ষণ আগে, লিন হেসে ফেলে। যাহোক, উনি গাড়ি চালায় কোন চিন্তা ভাবনা না করে। কোথায় যাবে তা উনি নিজেও যানে না। এর মধ্যে আমাকে একবার বলেছে ফিসফিস করে, তোমার খুধা লাগে নাই, সত্যি করে বলো। আমি বলি লাগছে। আমি সামনে বসছি ভাইয়ার সাথে পেছনে শাওন আর লিণ্ডা।
তো আমরা যখন সায়েন্স ল্যাব পার হচ্ছি, তখন উনি বলে তোমাদের কি বিশ মিনিট সময় হবে, আমি তোমাদের একটা যায়গায় নিয়ে যাবো, আমি বাজি ধরে বলতে পারি, তোমরা কখনো যাওনাই। আমরা রাজি হলাম।
আমরা যখন কল্যাণপুর এলাম, তখন লিনকে আমার সেই বিখ্যাত বিল্ডিংটা দেখালাম। আমি কল্যাণপুরে বেশকিছুদিন ছিলাম একটা বিশতলা বিল্ডিং এর দশতলায়। কিন্তু সেই বিল্ডিং এ কোন লিফ্ট ছিল না। বিল্ডিং টা এখনো আগের মতো নগ্নই রয়ে গেছে। শাওন বলে, ভাইয়া ঢাকায় ভুমিকম্প হলে তো, তুমি বেচে যাবা, তুমি তো সারারাত গাড়িতেই থাকো, বাসায় তো থাকো না।

অবশেষে আমরা সেই যায়গাটাই এলাম। যায়গাটার নাম হরিণধরা। এতো সুন্দর যায়গা আমি কখনো দেখি নাই। চারদিকে সাদার সমুদ্র। এতো কাশফুল আমি কখনো দেখি নাই। বিশাল মাঠে চারদিকে শুধু কাশফুল আর কাশফুল। গাড়িটি যখন কাশফুলের সমুদ্রের মাঝখানে দিয়ে যাচ্ছিল, কি যে এক অদ্ভুত ভাললাগা কাজ করতেছিল, মনে হচ্ছিল আমি হয়তো সর্গের পথে। ফয়ছাল ভাইয়াকে মনে হচচ্ছিল দেব শিশু। উনি আমাদে স্বর্গের পথ দেখিয়ি চলছেন। সত্যি এতো সুন্দরের মাঝে কখনো যায়নি। অসংখ্য ধন্যবাদ ফয়সাল ভাইয়াকে, আমাদের ক্র্যাক।

কিন্তু খূব সুন্দরের মাঝে বেশিক্ষণ থাকতে নেই। তাই উনি শুধু আমাদের পুরো যায়গাটা একবার ঘুরিয়ে নিয়ে ফিরে চললেন। আমার খুব ইচ্ছে করছিল কিছুক্ষণ দাড়াই, কিছু ছবি তুলি। ভাইয়া বলে, থাক, এই যায়গাটাকে ছবিতে ধরার দরকার নেই। আমরা ফিরে চললাম আবার স্বর্গ থেকে আমাদের সেই চিরপরিচিত নরকে।  আদম শিশু স্বর্গ থেকে একবার বিতাড়িত হয়েছে, আবার কখনো কি ফিরে পাবে?

এর পরের গল্পটুকু একদম অন্যরকম। কিছু চরম এবং ভয়ংকর সত্যি এবং কিছুটা ভয় মিলে এক অদ্ভুত কিছু। সেই গল্পটা এখানে বলবো না। এই গল্পটা সম্পূর্ণ ভাল লাগার গল্প। অন্যদিন বলবো সেই গল্প কিংবা বলায় হবে না।

এরপরে আমরা ভাইয়ার সাথে প্রায় নয়টা পর্যন্ত ছিলাম। ফয়ছাল ভাইয়া দেব শিশু, স্বর্গ থেকে নেমে এসেছিলেন আজ কিছুক্ষণের জন্য।

কিছু ছবি:
কাশফুল
 

This slideshow requires JavaScript.

3 thoughts on “স্বর্গের পথে কিছুক্ষণ…

  1. >যায়গাটার নাম হরিণধরা। জাহাঙ্গীরনগর এর দিকে একটা যায়গা। এইখানে নরমালি কেও যায় না। কারণ খুবই রিস্কি নাকি। লাইফ ইনসিকিউর্ড হয়ে যেতে পারে এইরকম। আর ফয়সাল একটা অামাদের একটা ভাইয়া। আর লিন হলো আমার এক বন্ধু।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s